Type to search

Personal Opinion

::গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের বাকী আর মাত্র ১৯ দিন::

Share

# একদিকে একটি জোট বিগত ১০বছর ক্ষমতার গদিতে বসে থেকে নিজেদের ইচ্ছে মত প্রশাসন সাজিয়ে, নিজেদের অধীনে নির্বাচন করছে।

অপরদিকে আরেকটি জোট গত ১২বছর যাবত নির্যাতিত, হামলা-মামলা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী খুন-গুমের শিকার, প্রধান বিরোধীনেত্রী জেলে এবং নির্বাচনে অংশ নিতে না-পারার পরেও একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

# একদিকে সরকার স্যোস্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, নিজস্ব বুদ্ধিজীবীদের দিয়ে নিজেদের গান গাওয়াচ্ছেন, জনপ্রিয় ব্যক্তিদের দিয়ে নিজেদের উন্নয়ন গিলাচ্ছেন।

অপরদিকে আরেকটি জোট ১২বছরের ভাঙ্গাচুরা-ক্ষতিগ্রস্থ দলকে গোছাতেই সময় পার করছেন।

তবুও ভাল! এবার একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আভাসই পাচ্ছি। শান্তিপূর্ণ বলছি এই কারণে যে,
১৯৯০ সালের এরশাদ হটিয়ে ১৯৯১ সালের নির্বাচন (এরশাদকে হটানো সহজ ছিল না), তারপর ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সময়ে আওয়ামী লীগের ১৭৭দিনের হরতাল অবরোধের যন্ত্রনা, তারপর ১৯৯৫ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।

আবার ২০০৬ সালের লগি বৈঠা, নির্বাচন কমিশন এম এ আজিজ নাটক, বঙ্গভবন, রাষ্ট্রপতি, গোয়েন্দা সংস্থা, তত্ত্বাবধায়ক, ১/১১ এর পর দুইবছর।

২০১৩ জ্বালাও-পোড়াও, বাসে আগুন, দগ্ধ মানুষের চিৎকার- আর্তনাত সবকিছু ছাড়িয়ে এবারের পরিস্থিতি অবশ্যই শান্তিপূর্ণ।

বিরোধীদের কোন দাবীই মানেননি বর্তমান মহাজোট সরকার। তবুও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি না হওয়ায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

৩০ডিসেম্বর ২০১৮ বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের দিন। সেদিন ভোটাররা ভোট দিয়ে নিজেদের প্রার্থী নির্বাচন করতে পারবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।

চলবে…

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *