Type to search

Personal Opinion

নেই তদারকি নেই জবাবদিহিতা

Share

এই বিষয়টা নিয়ে আমার অনেক দিনের ভয় ছিল। ভয়ের কারণ হচ্ছে, বিগত সময়ে বাঁশ দিয়ে যেভাবে ভবন নির্মাণের তথ্য আমরা পেয়েছি। তাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যে ঘটবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এইটা যেটা ঘটেছে সেটা পুরনো পাপের ফসল। ভবিষ্যতে যেগুলো ঘটবে সেগুলো এখনকার পাপের ফসল হবে।

নিন্মমান বা যাচ্ছে তাই ভাবে করা সরকারী কাজগুলো একেকটা যেন মৃত্যু ফাঁদ হিসেবেই গড়ে উঠছে। আর এই ফাঁদে আটকে মারা যাব আমরা। আমাদের সন্তানেরা। ওদের কিছু হবে না। কারণ, ওদের কেহ এই দেশে থাকে না।
কখনো কি কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা দেখেছেন? কিভাবে দেখবেন? ক্ষমতার পালাবদলে এমপি-মন্ত্রীর সালা আর ভাগ্নেদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা কে করবে? কার আছে এমন সাহস?

১কোটি টাকার কাজের ৪০লাখ ভাগবাটোয়ারা হয়ে যায় আগেই। তারপর ৬০লাখ দিয়ে শুরু করে সেখান থেকেও শুরু হয় চুরি। সবশেষে ১কোটি টাকার কাজ শেষ হয় ৩০লাখে। আবার কাজের মান চান? যারা মান যাচাই করবে তারা তো প্রথম ৪০লাখের ভাগ পেয়েছেই।

ছবিটি বরগুনার তালতলীতে ছোটবগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। এই স্কুলের গ্রেড ভীম ভেঙ্গে তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী মানসুরা বেগম (৮) আজ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে ৫জন।

ভবনটি নির্মাণ করা হয় ২০০২ সালে। ভবনটি নির্মান করেন, বরগুনা-১ আসনের সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান তালুকদারের ভাগ্নে সেতু এন্টারপ্রাইজের মালিক আবদুল্লাহ আল মামুন। ভবনটি নির্মানের এক বছরের মধ্যেই গ্রেড ভীমে ফাটল ধরেছিলো। শনিবার ক্লাস চলাকালে বেলা সাড়ে বারোটার দিকে গ্রেড ভীম ভেঙ্গে ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মানসুরা বেগমকে হাসপাতালে নেয়ার আগেই মারা যায়। আহতরা হচ্ছেন, রুমা আক্তার, সাদিয়া, রোজমা, শাহিন ও ইসমাইল হোসেন। তাদের মধ্যে ৩ জনকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *